আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানে মার্কিন হামলার পরই রোববার সকালে ইসরাইলের বেশ কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর বেন-গুরিয়ন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি ইসরাইলের সবচেয়ে বড় তিনটি বিমানসংস্থা-এল আল, ইসরাইল এয়ারলাইনস, আরকিয়া ও ইসরায়ার ঘোষণা করেছে যে, তারা দেশের ভেতরে ফেরত আসার ফ্লাইটগুলো আপাতত স্থগিত করছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।
এল আল জানিয়েছে, তারা ২৭ জুন পর্যন্ত পূর্বনির্ধারিত সব ফ্লাইট বাতিলের সিদ্ধান্তও বাড়িয়েছে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর বিভিন্ন এয়ারলাইন্স মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তীর্ণ আকাশপথ এড়িয়ে চলতে শুরু করেছে। এর আগেই ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র বিনিময়ের কারণে ওই অঞ্চলের আকাশপথ এড়িয়ে চলছিল অনেক ফ্লাইট।

এদিকে চলমান অনিশ্চয়তার কারণে ইসরাইলি বিমানসংস্থা ইসরায়ার ঘোষণা করেছে, তারা ৭ জুলাই পর্যন্ত সব ফ্লাইটের টিকিট বিক্রি স্থগিত করছে। এ সময়ের মধ্যে যাদের ফ্লাইট সংরক্ষণ (রিজার্ভেশন) রয়েছে, তারা বিনা ফিতে তাদের যাত্রা বাতিল করতে পারবেন। বাতিল করা যাত্রার জন্য যাত্রীরা পূর্ণ অর্থের একটি ক্রেডিট ভাউচার পাবেন, যা আগামী দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো ইসরায়ার ফ্লাইটে ব্যবহারযোগ্য হবে।
সম্প্রতি ইরানে মার্কিন বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলাসহ বিভিন্ন নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় এবং ইসরাইলি আকাশসীমা বন্ধ থাকায় ইসরায়ার জানিয়েছে, তাদের সব ধরনের কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।