বেড়া (পাবনা) প্রতিনিধি : দেশের অন্যতম পেঁয়াজ উৎপাদনকারী এলাকা পাবনার বেড়া উপজেলায় মৌসুমের শুরুতে যে পেঁয়াজকলি ছিল ‘দামি সবজি’, মৌসুমের শেষপ্রান্তে এসে সেটিই এখন অবহেলায় মাঠে ও রাস্তার পাশে ফেলে দিতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
মাস দেড়েক আগে যেখানে প্রতি কেজি পেঁয়াজকলি ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে, সেখানে এখন এক থেকে দুই টাকা কেজি দামেও ক্রেতা মিলছে না। অনেক সময় দেখা যাচ্ছে বিনামূল্যেও কেউ নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।
পরিবহন খরচ উঠবে না এই আশঙ্কায় কৃষকেরা জমি থেকে পেঁয়াজকলি তুলে বাজারে নেওয়ার বদলে জমির পাশেই ফেলে দিচ্ছেন। পেঁয়াজ চাষি ও উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বেড়া উপজেলায় মূলত দুটি পদ্ধতিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়ে থাকে মূলকাটা ও হালি পদ্ধতি। এর মধ্যে মূলকাটা পদ্ধতিতে আবাদ করা পেঁয়াজ থেকেই পেঁয়াজকলি পাওয়া যায়।
এ জাতের পেঁয়াজকে অনেকেই আগাম জাতের পেঁয়াজ বলে থাকেন। হালি পদ্ধতিতে আবাদ করা পেঁয়াজে পেঁয়াজকলি হয় না। মূলকাটা পদ্ধতিতে অক্টোবরের শুরুতে জমিতে অঙ্কুরিত পেঁয়াজ রোপণ করা হয়। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত এই পেঁয়াজ তোলা হয়।
সে অনুযায়ী বর্তমানে বেড়া উপজেলায় আগাম জাতের পেঁয়াজ তোলার মৌসুম চলছে। এই সময়েই পেঁয়াজের ফুল বা পেঁয়াজকলি পাওয়া যায়।