Logo
ট্রেন্ডিং: ময়মনসিংহ মহানগর জাপার সভাপতি জাহাঙ্গীর গ্রেফতার বগুড়ার ধুনটে নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু হোন্ডা-গুণ্ডার রাজনীতি আর চলবে না: হাসনাত আব্দুল্লাহ কক্সবাজারে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই নারী আটক

‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী, আফগানিস্তানে নতুন আইন

BN DESK
02 September 2026, 04:43 AM পড়তে ১ মিনিট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নারীদের বিরুদ্ধে ফের নতুন কড়া আইন জারি করলো আফগানিস্তানের তালেবান সরকার। ব্রিটিশ অনলাইন সংবাদপত্র ইন্ডিপেন্ডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির সরকার স্বামীদের তাদের স্ত্রীদের ও সন্তানদের শারীরিকভাবে শাস্তি দেওয়ার অনুমোদন দিয়ে পারিবারিক সহিংসতার ‘বৈধতা’ দিয়েছে।   

তবে মারধরের ফলে ‘হাড় ভেঙে গেলে’ বা ‘জখম হলে’ স্বামীদের শাস্তি পেতে হবে নতুন এই আইনে বলা হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, এনিয়ে ইতোমধ্যে তালেবান সরকার নতুন একটি ফৌজদারি আইন জারি করেছে।  

সেখানে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন ইসলামপন্থি গোষ্ঠীটির সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা ৯০ পাতার নতুন এই দণ্ডবিধিটিতে স্বাক্ষর করেছেন।  

ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানিয়েছে, পশতু ভাষায় ‘দ্য মাহাকুমু জাজাই উসুলনামা’ বা ‘আদালতের ফৌজদারি বা দণ্ডবিধি সংক্রান্ত নিয়মাবলী’ নামীয় এই দণ্ডবিধি আফগানিস্তানের আদালতগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে। এর একটি অনুলিপি ইন্ডিপেন্ডেন্ট দেখেছে।

নতুন এই দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন ধরনের বর্ণ ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা অনুযায়ী, অপরাধী ‘মুক্ত’ না ‘দাস’ তার ওপর ভিত্তি করে শাস্তির মাত্রাও ভিন্ন হবে।

এই আইন অনুযায়ী, কোনো স্বামী ‘অতিরিক্ত মাত্রার শক্তি’ ব্যবহার করে দৃশ্যমান তার স্ত্রীর জখম বা হাড় ভাঙলে ১৫ দিনের কারাদণ্ড হতে পারে। তবে এই লোক তখনই দোষী সাব্যস্ত হবে যখন তার স্ত্রী তার ওপর হওয়া নির্যাতন আদালতে সফলভাবে প্রমাণ করতে পারবে।

এ ছাড়া নতুন আইনে বলা হয়েছে, নির্যাতিত নারী পুরোপুরি হিজাব পরা অবস্থায় তার জখম বিচারককে দেখাতে পারবে। তবে এমন পরিস্থিতিতে তার স্বামী অথবা প্রাপ্তবয়স্ক কোনো পুরুষকে তার সঙ্গে আদালতে থাকতে হবে। 

অন্যদিকে বিবাহিত কোনো নারী তার স্বামীর অনুমতি ছাড়া আত্মীয়র বাড়িতে বেড়াতে গেলে তার শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। বলা হয়েছে, এমন কার্যকলাপের জন্য স্ত্রীর সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদণ্ড হতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের নতুন এই দণ্ডবিধি দেশটির সমাজকে চারটি শ্রেণিতে বিভক্ত করেছে। এগুলো হচ্ছে, ধর্মীয় বিদ্বান (উলামা), অভিজাত (আশরাফ), মধ্য শ্রেণি এবং নিম্ন শ্রেণি। 

এই পদ্ধতি অনুযায়ী, একই ধরনের অপরাধের জন্য শাস্তি প্রাথমিকভাবে অপরাধের ধরন বা এর তীব্রতা দ্বারা নির্ধারিত হবে না, হবে অভিযুক্তের সামাজিক অবস্থান দ্বারা।

 

পরবর্তী খবর লোড হচ্ছে...
আন্তর্জাতিক

‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী, আফগানিস্তানে নতুন আইন

B
BN DESK | 19 February 2026
বিস্তারিত পড়ুন
new.karatoa.com.bd

Logo

প্রচ্ছদ
সোশ্যাল মিডিয়া ই-পেপার