সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়া জেলা বিএনপি’র সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা বলেছেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার হামলা- মামলা, খুন- গুমের রাজত্ব কায়েম করেছিল। সেই হাসিনা এখন কোথায়? তার শেষ আশ্রয়স্থল হয়েছে ভারতে। ভারতে পালিয়ে গেলেও তার রক্ষা নেই। এদেশে ফিরিয়ে এনে তাকে আইনের কাঠগোড়ায় দাঁড় করানো হবে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী লীগ আমাদের বাড়ি-ঘরে থাকতে দেয়নি। তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনা হবে। বগুড়ার মাটি শহিদ জিয়া, খালেদা জিয়া, তারেক জিয়া ও বিএনপি’র ঘাটি। তিনি জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, বগুড়ার উন্নয়ন কে করে? বিএনপি করে। তাই আগামী নির্বাচনে এই আসনে যেই ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে আসুক তাকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।
তিনি আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে স্থানীয় বিএনপির অফিস সংলগ্ন মাঠে এক কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
জেলা বিএনপি’র সহ সভাপতি ও উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকিরের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সোনাতলা- সারিয়াকান্দি নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী রফিকুল ইসলাম, আলী আজগর তালুকদার হেনা, জয়নাল আবেদীন চাঁন, মাহবুবুর রহমান হারেজ, জেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও কাহালু নন্দীগ্রাম আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন, সহ-সভাপতি এম আর ইসলাম স্বাধীন, সাংগঠনিক সম্পাদক সহীদুন নবী সালাম, খাইরুল বাশার, বিএনপি’র উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও জেলা ড্যাবের সভাপতি প্রফেসর ডা. শাহ মোঃ শাহজাহান আলী, জিয়া শিশু-কিশোর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক কেএম হুমায়ন কবীর, জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সরকার মুকুল, সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান, কৃষক দলের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম রনি, জেলা ছাত্র দলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান, সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশ, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমা খাতুন, সোনাতলা পৌর বিএনপি’র সভাপতি আবু নাছের ওয়াহেদ নবেল, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম খান নিপু, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক লিপন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসানুল হাবিব রাজা, সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম রেজা বাবলা, আহসান হাবিব রতন, শফিকুল ইসলাম, তথ্য গবেষণা সম্পাদক ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রিয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাই মাষ্টার, ভি পি এমদাদুল হক টুকু, তাকবির হোসেন, জরিফুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান চান, পাভেল আহম্মেদ, কমিশনার হারুনুর রশিদ, চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানী, খোরশেদ আলম মিল্টন, যুব নেতা রাঙ্গা প্রমুখ।