Logo
ট্রেন্ডিং: ময়মনসিংহ মহানগর জাপার সভাপতি জাহাঙ্গীর গ্রেফতার বগুড়ার ধুনটে নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু হোন্ডা-গুণ্ডার রাজনীতি আর চলবে না: হাসনাত আব্দুল্লাহ কক্সবাজারে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই নারী আটক

মুরগির গিলা-কলিজাতেই তুষ্টি তাদের

BN DESK
02 September 2026, 02:20 AM পড়তে ১ মিনিট
মুরগির গিলা-কলিজাতেই তুষ্টি তাদের

শাওন রহমান: অস্থির হয়ে ওঠা মাংসের বাজারে স্বস্তি এখনও ফেরেনি। মাঝে ব্রয়লার ও ককরেল মুরগির দাম কিছুটা কমলেও তা এখনও সাধারণের নাগালের বাহিরে। এতে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্তদের অনেকেই ঝুঁকছেন মুরগির গিলা-কলিজা ও চামড়ার দিকে। নিম্ন আয়ের মানুষের দাবি, অস্থির নিত্যপণ্যের বাজারে মাংসের স্বাদ মেটাতে হচ্ছে মুরগির গিলা-কলিজাতে। আবার এসবের বড় একটি অংশ বিক্রি হয় রাস্তার ধারে ফুটপাতের বিভিন্ন মুখরোচক খাবার হিসেবে।  

বগুড়া শহরের ফতেহ আলী বাজার ঘুরে দেখা যায়, এ বাজারে বেশ কয়েকটি দোকানী শুধু মুরগির গিলা, কলিজা, পা, মাথা ও চামড়া বিক্রি করেই তাদের সংসার চালান। তাদের মতে, প্রতিদিন এ বাজারে ১শ’ থেকে দেড়শ’ কেজি মুরগির এই অংশগুলো বিক্রি হয়। এসবের যোগান আসে এই বাজারের মুরগির ছেলা-কাটা বা ড্রেসিংয়ের দোকান থেকে। প্রতিকেজি গিলা, কলিজা, পা, মাথা ও চামড়া কিনতে হয় গড়ে ৮০-৯০ টাকায়। আর গিলা বিক্রি হয় ১৪০ টাকা কেজি, কলিজার কেজি ১২০, মাথা ৫০-৬০, পা (ককরেল) ৭০-৮০ এবং ব্রয়লার মুরগির পায়ের কেজি ১৫০-১৮০ টাকা।

বাজার করতে আসা নিম্ন আয়ের এক গৃহিনী বলেন, ‘মুরগি কেনার সামর্থ্য নেই। তাই গিলা, কলিজা, আর চামড়া কিনে নিয়ে যাচ্ছি, রান্না করতে জানলে এর স্বাদও অনেক।’
মো. রতন নামের এক ক্রেতা বলেন, ব্রয়লার মুরগির এখনকার কেজি ১৭০ টাকা, তাও এক কেজি পাওয়া যায় না, আবার এক কেজি কিনলে তা কমে হাফকেজি হয়ে যায়, আর গিলা-কলিজা ১৪০ টাকা কেজি। মুরগির বদলে গিলা-কলিজা কিনতে গেলেও এখন আর স্বস্তি নেই।

একই অবস্থা বেশিরভাগ নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্তদের। তারা বলেন, বাজারে মুরগিসহ অন্যান্য মাংসের দাম তাদের মতো মানুষের সাধ্যের বাহিরে। বাজারে এসে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্য কেনার পর মুরগি বা গরুর মাংস কেনার টাকা অবশিষ্ট থাকে না। ফলে মাংসের স্বাদ মেটাতে বাধ্য হয়ে গিলা, কলিজা ও চামড়া কিনতে হচ্ছে। এটা অনেকটা দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর মতো!

গিলা-কলিজা বিক্রেতা মোকছেদুল আলম বলেন, গিলা-কলিজার বড় ক্রেতা নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। এই বাজারে প্রতিদিন ১শ’ থেকে দেড়শ’ কেজি মুরগির গিলা-কলিজা বিক্রি হয়। এছাড়াও মুরগির পায়ের বড় ক্রেতা ফুটপাতের রকমারি খাবার বিক্রেতারা। এছাড়াও কলিজা ও চামড়ার বড় একটা অংশের ক্রেতাও তারা। বিক্রেতাদের দাবি, বাজারে মুরগির দাম বেশি হওয়ায় গিলা-কলিজার বিক্রি বেড়েছে। 

 

পরবর্তী খবর লোড হচ্ছে...
বিশেষ প্রতিবেদন

মুরগির গিলা-কলিজাতেই তুষ্টি তাদের

B
BN DESK | 25 July 2024
বিস্তারিত পড়ুন
new.karatoa.com.bd

Logo

প্রচ্ছদ
সোশ্যাল মিডিয়া ই-পেপার