খুলনা নগরীর ৪ নম্বর ঘাট এলাকা থেকে পুলিশ পরিচয়ে খাদ্য পরিদর্শক সুশান্ত কুমার মজুমদারকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় খাদ্য কর্মকর্তার স্ত্রী মাধবী রানী মজুমদার রাতেই খুলনা থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার (১৪ জুলাই) বিকেলে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পিসি) খোন্দকার হোসেন আহম্মদ স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রূপসা শিরগাতি এলাকার মো. মালেক খানের ছেলে মুসা খান (২৮) এবং একই থানাধীন আইচগাতী এলাকার মো. মইনুদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে আলমগীর কবীর (৪৮)।
এ ঘটনায় সুশান্ত কুমার মজুমদারের স্ত্রী মাধবী রানী মজুমদার রাতেই খুলনা থানায় রেজা, বাবু মন্ডল, জামাল হাওলাদার, নাসির, টুনু, মো. আলমগীর কবির, মো. মুসা খানের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, বেশ কয়েকদিন যাবত তার স্বামী সুশান্ত কুমার মজুমদারের নিকট অপহরণকারীরা ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। সুশান্ত চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাকে হত্যা করে ভৈরব নদীতে ফেলে দেওয়ার হুমকি প্রদান করে অপহরণকারীরা।
আসামিরা সুশান্তকে অপহরণ করে নেওয়ার পর তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এবং ফোন করে তার পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে। ফোনকলের সূত্র ধরে পুলিশ অপহৃত ভিকটিম এবং আসামিদের অবস্থান সনাক্ত করে খুলনা মহানগর পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে খুলনা জেলার তেরখাদা থানাধীন আজগড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে হতে অপহৃত ভিকটিম সুশান্ত কুমার মজুমদারকে হাত, পা এবং চোখ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে।
খুলনা সহকারী পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া এন্ড সিপি) খন্দকার হোসেন আহম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে খুলনা সদর থানার মামলা হয়েছে।