যশোরের শার্শা উপজেলার সীমান্ত থেকে জামাল হোসেন (৩০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জাহিদ হাসান (২৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল রোববার (৩০ মার্চ) রাতে উপজেলার গোগা ইউনিয়নের ইছাপুর গ্রামের শফি ইটভাটা সংলগ্ন সেতাই বালুন্ডা সড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়ে বলে জানান শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম রবিউল ইসলাম।
নিহত যুবক জামাল হোসেন (২৫) সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার কাদপুর গ্রামের আইয়ুব হোসেনের ছেলে।
ওসি কেএম রবিউল ইসলাম বলেন, শফি ইটভাটা সংলগ্ন সেতাই বালুন্ডা সড়কে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকার সংবাদ পেয়ে সেটি উদ্ধার করা হয়। এসময় মরদেহের পাশে একটি মোটরসাইকেল ও হত্যার কাজে ব্যবহৃত কিছু মেহগনি গাছের চলাকাঠ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
নিহতের মুখ ও মাথায় একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পুলিশ জানায়। পরে তার কাছে থাকা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একই গ্রামের আলী হোসেন খাঁর ছেলে জাহিদ হাসানকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, নিহত যুবক মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত। আটক জাহিদ হাসান ও নিহত জামাল সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া সীমান্ত এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল বহন করে শার্শা ও বেনাপোল পোর্ট থানার বিভিন্ন মাদককারবারীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করতেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।