জামালপুরে এক গর্ভবতী স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মো. উজ্জ্বল মাহমুদ (২৮) নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এই আদেশ দেন।
দণ্ডিত উজ্জ্বল মিয়া ওরফে উজ্জ্বল মাহমুদ (২৮) জামালপুর সদরের দেউলিয়াবাড়ি গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, ২০২৩ সালে জামালপুর সদর উপজেলার দেউলিয়াবাড়ী গ্রামের উজ্জ্বল মাহমুদের সঙ্গে বিয়ে হয় তাহমিনা জান্নাতের (২২)। বিয়ের পর যৌতুকের দাবিতে ও গর্ভের সন্তান নষ্টের জন্য স্ত্রী তাহমিনাকে নির্যাতন করতে থাকেন উজ্জ্বল মাহমুদ। একই বছরের ১৮ এপ্রিল রাতে ৫ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেন উজ্জ্বল। ঘটনার পরের দিন নিহতের বাবা ইব্রাহীম খলিল ১৩ জনকে আসামি করে জামালপুর সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।
অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় ১২ আসামিকে এ মামলা থেকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন বিচারক। পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, “৫ লাখ টাকা যৌতুক না পেয়ে ২০২৩ সালের ১৮ এপ্রিল রাতে উজ্জ্বল মিয়া তার গর্ভবতী স্ত্রী তাহমিনা জান্নাতকে পিটিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনার পরদিন তাহমিনার বাবা ইব্রাহিম খলিল বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।”
১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে সব আসামির উপস্থিতিতে বিচারক এ আদেশ দেন বলে জানান তিনি।