বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সংস্কার নিয়ে সিরিয়াস হওয়ার কারণেই ঐকমত্য তৈরিতে আলোচনা চালাচ্ছে বিএনপি। কমিশনের মৌলিক প্রস্তাবনাগুলো নিয়ে আলাপ করে ঐকমত্য আসার চেষ্টা করা হবে। যে সংস্কারে জাতির কল্যাণ হয় সেটিই বিবেচনা করা হবে। তিনি আরও বলেন, জুডিসিয়ারি নিয়ে বিএনপি’র সংস্কার প্রস্তাব মিসলিড করা হয়েছে। বিচারক নিয়োগের অধ্যাদেশের ক্ষমতাসহ সব সংস্কার সাংবিধানিকভাবে হওয়া উচিত।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ করলে তিনি এ কথা বলেন। সালাহউদ্দিন বলেন, স্প্রেডশিটে বিভ্রান্ত সৃষ্টি ও মিসলিড করা হয়েছে। ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আমাদের ধারাবাহিকভাবে আলোচনা হচ্ছে। সংবিধানের প্রস্তাবনা থেকে শুরু করে মূলনীতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। জুডিসিয়ারি নিয়ে বিএনপি’র সংস্কার প্রস্তাব মিসলিড করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিচারক নিয়োগের অধ্যাদেশের ক্ষমতাসহ সব সংস্কার সাংবিধানিকভাবে হওয়া উচিত। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বিএনপি চায়, কিন্তু প্রক্রিয়া যেন সাংবিধানিকভাবে হয়।
এর আগে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কদ্দুস কাজল, সাবেক সংস্থাপন সচিব আবু মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান অংশ নেন।