সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান প্রার্থী সুজাত আলী রফিকের কাপ-পিরিচ প্রতীকে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। বুধবার (৮ মে) দুপুর ১টার দিকে দলদলি চা বাগান এলাকার একটি কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন ভোটাররা। এসময় সকল প্রার্থীর এজেন্টরা বেরিয়ে গেলে ওই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ হয়ে যায়।
পরে ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়। এছাড়া দুটি ব্যালট বই বাতিল করা হয়। অবশ্য এ ঘটনার পর থেকে আর ওই কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়েনি।
ভোটাররা অভিযোগ করেন, দুপুর পৌনে একটার দিকে কয়েকজন নেতাকর্মী নিয়ে ওই কেন্দ্রে প্রবেশ করেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজ। তারা বেশকিছু সময় ধরে চেয়ারম্যান প্রার্থী সুজাত আলী রফিকের কাপ-পিরিচ প্রতীকে জালভোট দেন। খবর পেয়ে চা-বাগানের ভোটাররা কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভ শুরু করলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন।
ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখল করে জালভোট দেওয়ার অভিযোগ
এ সময় ভোটাররা ওই কেন্দ্রের ভোট স্থগিতের দাবি জানানোর পাশাপাশি ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। এ ঘটনার পর থেকে ওই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বন্ধ হয়ে যায়। প্রার্থীর এজেন্টরাও কেন্দ্র থেকে চলে যান।
জালভোট দেওয়ার অভিযোগটি অস্বীকার করে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজ বলেন, তিনি কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। কেউ উদ্দেশ্যমূলক ভাবে তার নামে এগুলো ছড়াচ্ছে। বিষয়টি সঠিক নয়।
এ বিষয়ে সিলেট সদর উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন বলেন, এ ঘটনায় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাছাড়া জালভোট দেওয়ার ঘটনায় দুটি ব্যালট বই বাতিল করা হয়েছে।
একইভাবে চেয়ারম্যান প্রার্থী সুজাত আলী রফিকের কাপ-পিরিচ প্রতীকে জালভোট প্রদানকারী এক যুবককে ছাড়িয়ে নিতে ব্যর্থ হয়ে সাংবাদিকের ওপর হামলা করেছেন প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা। সিলেট সদর উপজেলার ঘোপাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।