Logo
ট্রেন্ডিং: ময়মনসিংহ মহানগর জাপার সভাপতি জাহাঙ্গীর গ্রেফতার বগুড়ার ধুনটে নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু হোন্ডা-গুণ্ডার রাজনীতি আর চলবে না: হাসনাত আব্দুল্লাহ কক্সবাজারে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই নারী আটক

৬ বছর পর ডাকসুর জিএস হলেন রাশেদ খাঁন

BN DESK
31 August 2026, 08:59 PM পড়তে ১ মিনিট

ঢাবি প্রতিনিধি : ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনের ছয় বছর পর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদ ফিরে পেলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিলের পর তার ডাকসু পদও বাতিল করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এরপর ওই নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া রাশেদ খাঁনকে জিএস ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট।

সোমবার (৩১ আগস্ট) এক ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি জানিয়েছেন রাশেদ খাঁন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ।’

রাশেদ খাঁন লেখেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর এমফিলের ছাত্রত্ব বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত তদন্ত কমিটি কর্তৃক অবৈধ প্রমাণিত হওয়ায় এবং সিন্ডিকেট কর্তৃক শোকজ নোটিশের উপযুক্ত জবাব দিতে না পারায় একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল হওয়ার প্রেক্ষিতে ডাকসু পদ বাতিল করা হয়েছে এবং ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে ২য় সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্ত মো. রাশেদ খাঁনকে জিএস ঘোষণা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। এর আগে ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনের আগে এমফিল প্রোগ্রামে গোলাম রাব্বানীর ভর্তি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করায় তার ভর্তি বাতিল করা হয়। সিন্ডিকেটও তার ভর্তি সাময়িকভাবে বাতিল করেছিল। বৈধ ছাত্রত্ব না থাকায় ওই নির্বাচনে গোলাম রাব্বানীর প্রার্থিতাও বৈধ ছিল না বলে তদন্তে উঠে আসে। এর ভিত্তিতে জিএস পদে তার নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি অবৈধ ঘোষণার সুপারিশ করে তদন্ত কমিটি। রাশেদ খাঁনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই তদন্ত কমিটি এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে। গোলাম রাব্বানীর জিএস পদ বাতিল হলে ২০১৯ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া রাশেদ খাঁনকে জিএস ঘোষণা করা হতে পারে বলেও তখন জানা যায়। গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিলের খবর প্রকাশের পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন রাশেদ খাঁন।

তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় পর হলেও তিনি ন্যায়বিচার পেতে যাচ্ছেন। রাশেদ খাঁনের দাবি, গোলাম রাব্বানী শিক্ষার্থীদের ভোটে জিএস নির্বাচিত হননি। শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগকে পছন্দ করতেন না। ওই নির্বাচনে তাদের প্যানেল ১১টি পদে জয়ী হলেও মাত্র দুটি পদে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ সময় পরে হলেও আমি ন্যায়বিচার পেতে যাচ্ছি। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই, তারা গুরুত্বের সঙ্গে আমার অভিযোগ বিবেচনা করেছে।’

এদিকে তদন্ত প্রতিবেদনে ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচন নিয়ে নানা অনিয়মের কথা উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, কিছু প্রার্থী ও প্যানেলের পক্ষ থেকে ভোটদান, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা, ভোট কারচুপি, ভোট দেওয়ার জন্য কৃত্রিম লাইন তৈরি এবং ভোটকেন্দ্র দখলের মতো ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। এ ছাড়া ব্যালট পেপারে অবৈধভাবে সিল মারা, ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো, অবৈধ উপায়ে ভর্তি হয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং ব্যালট বাক্স নিয়ে নানা ধরনের কারচুপির অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে। এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে আরও তদন্তের প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১১ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কমিশন ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ভিপি পদে জয়ী হন নুরুল হক নুর। তিনি পান ১১ হাজার ৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তৎকালীন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। তিনি পান ৯ হাজার ১২৯ ভোট। জিএস পদে ১০ হাজার ৪৮৪ ভোট পেয়ে গোলাম রাব্বানীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা রাশেদ খাঁন পান ৬ হাজার ৬৩ ভোট।

পরবর্তী খবর লোড হচ্ছে...
Unknown

৬ বছর পর ডাকসুর জিএস হলেন রাশেদ খাঁন

B
BN DESK | 31 August 2026
বিস্তারিত পড়ুন
new.karatoa.com.bd

Logo

প্রচ্ছদ
সোশ্যাল মিডিয়া ই-পেপার