শীতে সর্দি-হাঁচি-কাশির সমস্যা বেড়ে যায়। বেড়ে যায় শ্বাসতন্ত্রের সমস্যাও। ফুসফুস শ্বাসতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অসচেতনতার কারণে কিংবা জীবনযাপনের কিছু ভুলে সহজেই ঠান্ডা লাগতে পারে এবং ভাইরাস সংক্রমণে নিউমোনিয়া হয়ে যেতে পারে। তাই এসময় সুস্থ থাকতে বাড়তি সচেতনতার প্রয়োজন।
ফুসফুস ভালো রাখতে যে অভ্যাস রপ্ত করতে পারেন
শীতে মুখের পরিবর্তে নাকের মাধ্যমে শ্বাস নিতে পারেন। এতে ফুসফুসে ঠান্ডা বাতাসের প্রবেশ ঠেকাতে পারবেন। নাকের মাধ্যমে শ্বাসগ্রহণ করলে বাতাস উষ্ণ হতে বেশি সময় পায়। ফুসফুস উষ্ণ বাতাস পেলে অসুস্থতার প্রবণতা কমে আসে।
অতিরিক্ত ঠান্ডা আবহাওয়া শ্বাসতন্ত্রের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। ফুসফুস সুরক্ষিত রাখতে বাইরে গেলে মাস্ক পরুন। এতে বাতাস ফুসফুসে প্রবেশের আগেই উষ্ণ হবে। এটা ফুসফুসের ওপর ঠান্ডা বাতাসের প্রতিক্রিয়া কমাতে সাহায্য করবে।
তীব্র শীতে ঘরেই শরীরচর্চা করুন। বাইরে শরীরচর্চা করলে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হতে পারে। বাইরের ঠান্ডা বাতাস ফুসফুসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
শীতে ফুসফুসের সুরক্ষায় পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার খান। বিশেষ করে পাতে ফল ও শাকসবজি রাখুন। তাজা ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য, বাদাম, বীজ, বিনস, অলিভ অয়েল ও মাছ খান।
পুষ্টিবিদদের মতে, ফুসফুসের সুস্থতায় প্রোটিন ভূমিকা রাখে। প্রোটিন সেই মাংসপেশিকে শক্তিশালী করে, যা গভীর শ্বাসের সময় ফুসফুসকে প্রসারিত করে থাকে। পর্যাপ্ত প্রোটিন বিশেষ করে শিম জাতীয় সবজি, বাদাম, বীজ খেলে শ্বাস-প্রশ্বাস সহজ হবে।