Logo
ট্রেন্ডিং: হামে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত সহস্রাধিক যুবলীগ চেয়ারম্যান পরশ ও স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশ আর কখনও কারও কাছে মাথা নত করবে না: সংসদে খলিলুর নেপাল সীমান্তে প্রলয়ঙ্করী বন্যা: নিহত ৩৩০, নিখোঁজ সহস্রাধিক

দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু: সংসদে সেতুমন্ত্রী

BNJK
29 August 2026, 02:03 AM পড়তে ১ মিনিট
দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু: সংসদে সেতুমন্ত্রী

যমুনা নদীর ওপর যানবাহনের প্রবল চাপ কমাতে এবং উত্তরবঙ্গের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করতে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বর্তমানে এই মেগা প্রকল্পের প্রাথমিক কারিগরি ও অবস্থানগত যাচাইয়ের কাজ পুরোদমে চলছে।

 দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত যমুনা নদীর ওপর আরও একটি সেতু নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, যানজট নিরসন এবং নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (প্রকল্পের সুবিধা ও অসুবিধা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া) বর্তমানে চলমান রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ১৯৯৮ সালে চালু হওয়া বর্তমান বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুটি প্রশস্ততায় কম হওয়ায় সেখানে প্রায়ই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে চার লেনের এই সেতুটি বর্তমানের বিশাল যানবাহনের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। এই সংকট দূর করতেই যমুনা নদীর ওপর একটি বিকল্প ও আধুনিক সেতু নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩৩ সালের মধ্যে এই দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সেতুমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, সেতুটির সঠিক অবস্থান নির্বাচনের জন্য তিনটি সম্ভাব্য পথ বা করিডোর নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এই সম্ভাব্য এলাকাগুলো হলো— বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি থেকে জামালপুরের মাদারগঞ্জ পর্যন্ত, গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে দেওয়ানগঞ্জ পর্যন্ত অথবা কারিগরিভাবে সুবিধাজনক অন্য কোনো উপযুক্ত স্থান। মূলত কোন পথে সেতুটি নির্মাণ করলে জনভোগান্তি সবচেয়ে কমবে এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হবে, সেটিই এখন পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

বর্তমান সরকারের এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোর সাথে রাজধানীর দূরত্ব যেমন কমবে, তেমনি পণ্য পরিবহনেও বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। বর্তমানে যমুনা সেতুতে অতিরিক্ত চাপের কারণে যে পণ্যবাহী ট্রাকগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকে, নতুন সেতু নির্মিত হলে সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 যমুনা নদীর ওপর দ্বিতীয় সেতু কেবল একটি স্থাপনা নয়, এটি উত্তরবঙ্গের কোটি মানুষের ভাগ্য বদলে দেওয়ার একটি সেতু হতে পারে। তবে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের এই ধাপটি যেন দীর্ঘসূত্রতায় না পড়ে, সেদিকে লক্ষ্য রাখা জরুরি। ২০৩৩ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এখন থেকেই দ্রুত এবং নিখুঁত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে—এমনটাই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা।

পরবর্তী খবর লোড হচ্ছে...
বাংলাদেশ

দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু: সংসদে সেতুমন্ত্রী

B
BNJK | 26 April 2026
বিস্তারিত পড়ুন
new.karatoa.com.bd

Logo

প্রচ্ছদ
সোশ্যাল মিডিয়া ই-পেপার