Logo
ট্রেন্ডিং: হামে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত সহস্রাধিক যুবলীগ চেয়ারম্যান পরশ ও স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশ আর কখনও কারও কাছে মাথা নত করবে না: সংসদে খলিলুর নেপাল সীমান্তে প্রলয়ঙ্করী বন্যা: নিহত ৩৩০, নিখোঁজ সহস্রাধিক

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার স্পিকারের সৌজন্য সাক্ষাৎ; নির্বাচন ঘিরে দুই জেলায় কঠোর নিরাপত্তা

BNJK
29 August 2026, 01:20 AM পড়তে ১ মিনিট
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার স্পিকারের সৌজন্য সাক্ষাৎ; নির্বাচন ঘিরে দুই জেলায় কঠোর নিরাপত্তা

 জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনের বিরতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও অস্ট্রেলিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধিদল। অন্যদিকে, আসন্ন উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের দুই জেলায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে প্রশাসন।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে এক রাষ্ট্রীয় সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এই বৈঠকে মিলিত হন অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস) স্পিকার মিল্টন ডিক। সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত কার্যালয়ে বেলা তিনটায় এই বৈঠক শুরু হয়।

সাক্ষাৎকালে স্পিকার মিল্টন ডিকের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। সংসদীয় অধিবেশনের বিরতিতে এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের সাক্ষাৎ দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে, দেশের নির্বাচনী অঙ্গনেও বইছে বিশেষ তৎপরতা। আগামী ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে বিশেষ নিরাপত্তা নির্দেশনা জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক শাখা থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আজ ৯ এপ্রিল থেকে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে সব ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, যারা আগে নিজ নিজ লাইসেন্স করা অস্ত্র থানা থেকে সংগ্রহ করেছিলেন, তাদের তা অবশ্যই নিকটস্থ থানায় জমা দিতে হবে। ৮ এপ্রিলের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশনা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের পর কোনো অস্ত্র লাইসেন্সধারীর কাছে পাওয়া গেলে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। এই আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের ঐতিহাসিক অস্ত্র আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে এই নিষেধাজ্ঞা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা প্রহরীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। মূলত সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কোনো ধরনের পেশিশক্তির ব্যবহার রুখতেই সরকার এই কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন সমন্বিতভাবে এই আদেশ বাস্তবায়নে কাজ করছে।

একদিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থান সুসংহত হচ্ছে, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে উপ-নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করার প্রচেষ্টা চলছে। অস্ত্র প্রদর্শনের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা কেবল একটি প্রশাসনিক আদেশ নয়, বরং একটি সুস্থ ও ভীতিহীন নির্বাচনী পরিবেশ তৈরির পূর্বশর্ত। সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রত্যাশা, কেবল প্রজ্ঞাপনেই নয়, বরং মাঠপর্যায়েও এই আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত হবে, যাতে সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

পরবর্তী খবর লোড হচ্ছে...
রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার স্পিকারের সৌজন্য সাক্ষাৎ; নির্বাচন ঘিরে দুই জেলায় কঠোর নিরাপত্তা

B
BNJK | 09 April 2026
বিস্তারিত পড়ুন
new.karatoa.com.bd

Logo

প্রচ্ছদ
সোশ্যাল মিডিয়া ই-পেপার