বসনিয়া–সুইজারল্যান্ড ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য।তবে দ্বিতীয়ার্ধে দর্শকরা গোলের দেখা পেয়েছেন পাঁচবার।তাতে একচেটিয়া আধিপত্য দেখিয়েছে সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের শুরুতে কিছুটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই হলেও দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় সুইসরা। এই জয়ে নকআউট পর্বে ওঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিল তারা।
ম্যাচের ৭০ মিনিট পর্যন্ত লড়াইটা সমানে-সমানে চললেও, শেষ ১৫ মিনিটে সুইজারল্যান্ডের আক্রমণের তোপে বসনিয়া খেই হারায়।এই বড় জয়ের মাধ্যমে নিজেদের গ্রুপে চালকের আসনে বসে গেল সুইসরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল সুইজারল্যান্ড। প্রথম কয়েক মিনিটেই তারা একাধিক কর্নার আদায় করে নেয়। ৭ মিনিটে গ্রানিত জাকার শট প্রতিপক্ষের রক্ষণে বাধা পায়।
১৯ মিনিটে আবারও সুযোগ তৈরি করে সুইজারল্যান্ড। দান এনদোয়ের দূরপাল্লার শট রুখে দেন বসনিয়ার গোলরক্ষক নিকোলা ভাসিল। কিছুক্ষণ পর রেমো ফ্রয়লারও সুযোগ পেয়েছিলেন, তবে তার শট গোলপোস্টের বাইরে চলে যায়। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য থেকে বিরতিতে যায় দু'দল।
বিরতিতে থেকে ফিরেও আক্রমণ অব্যাহত রাখে সুইজারল্যান্ড। অবশেষে ম্যাচের ৭৪ মিনিটে ডেকলক ভাঙে সুইসরা। দারুণ এক ভলিতে গোল করে
সুইজারল্যান্ডকে এগিয়ে দেন ইয়োহান মানজাম্বি। ম্যাচের ৮০ মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বসনিয়া। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন তারিক মুহারেমোভিচ। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচের ৪৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের দ্বিতীয় গোলটি করেন রুবেন ভারগাস।
এরপর ম্যাচের ৯০ মিনিটে দলের তৃতীয় ও নিজের জোড়া গোলের দেখা পান ইয়োহান মানজাম্বি। এর তিন মিনিট পরে বসনিয়ার হয়ে এক গোল শোধ করেন আমর মেমিচ।
ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে একটি পেনাল্টি পায় সুইজারল্যান্ড। স্পট কিক থেকে বসনিয়ার কফিনে শেষ পেরেক ঠোকেন গ্রানিত জাকা। এতে ৪-১ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সুইসরা।